শেষের কবিতা – অধ্যায় ১৬

১৬ মুক্তি একটি ছোটো চিঠি এল লাবণ্যের হাতে, শোভনলালের লেখা- শিলঙ কাল রাত্রে এসেছি। যদি দেখা করতে অনুমতি দাও তবে দেখতে...

শেষের কবিতা – অধ্যায় ১৫

১৫ ব্যাঘাত দুই সখী যোগমায়ার বাগানে বাইরের দরজা পার হয়ে চাকরদের কাউকে দেখতে পেলে না। গাড়িবারান্ডায় এসে চোখে পড়ল...

শেষের কবিতা – অধ্যায় ১৪

১৪ ধুমকেতু এতদিন পরে অমিত একটা কথা আবিস্কার করেছে যে, লাবণ্যর সঙ্গে তার সম্বন্ধটা শিলঙসুদ্ধ বাঙালি জানে। গভর্মেন্ট...

শেষের কবিতা – অধ্যায় ১৩

১৩ আশঙ্কা সকালবেলায় কাজে মন দেওয়া আজ লাবণ্যের পক্ষে কঠিন। সে বেড়াতেও যায় নি। অমিত বলেছিল, শিলঙ থেকে যাবার আগে আজ...

শেষের কবিতা – অধ্যায় ১২

১২ শেষ সন্ধ্যা আহার শেষ হলে অমিত বললে, কাল কোলকাতায় যাচ্ছি মাসিমা। আমার আত্মীয়স্বজন সবাই সন্দেহ করছে আমি খাসিয়া হয়ে...

শেষের কবিতা – অধ্যায় ১১

১১ মিলনতত্ত্ব ঠিক হয়ে গেল আগামী অঘ্রান মাসে এদের বিয়ে। যোগমায়া কোলকাতায় গিয়ে সমস- আয়োজন করবেন। লাবণ্য অমিতকে...

« Older Entries Next Entries »